Saturday, January 27, 2018
Wednesday, January 3, 2018
জিরু থেকে হিরু কথাটা শুনলে আমরা যেন শিউরে উঠি। মাথা লম্বা
করে গা কে হেলেধুলে সামনে একটু গিয়ে দেখি ব্যাপার টা কি। কথাটা যেন আমরা আচমকা শুনলাম।
আর কোনদিন আমাদের সামনে এমন কথা ভেসে আসে নি। অবাক করার মতো এমন কথা যদি আমাদের সামনে
এসে কেউ বলে আমাদের চোখ যেন কপালে উঠে যায়। অন্যের এমন সফল হওয়ার কাহিনি না শুনে আমাদের
কাহিনি অন্যকে শুনালে হয়তো তারাও আমাদের মতো চোখ কপালে তুলবে ও আমাদের কাহিনি নিয়ে
তারা তাদের জীবন সাজাতে পারবে।
![]() |
| Orbit Computer/ সফল ব্যবসায়ী হওয়ার কৌশল/ Strategy to be a successful business/ |
আমরা কি পারিনা অন্যের
এমন কাহিনি না পড়ে আমরা নিজেরাই আমাদের কাহিনি গড়ে তুলতে?
তখন হয়তো অন্যরা আমাদের কাহিনি নিয়ে মাতোয়ারা হয়ে উঠবে।
আমাদের নিজেদের এমন কাহিনি গড়ার জন্য আমাদেরকে কয়েকটি পদক্ষেপ
অতিক্রম করতে হবে।
আসুন এবার জেনে নেয়া যাক এসব পদক্ষেপগুলো আমাদের জন্য কি হতে
পারে…..
১. দৃড়চিত্রের সাথে যে কোন একটা কাজে লেগে থাকাঃ- আমরা যে কোন একটা কাজ
১-২দিন বা মাস কয়েক করার পড় সে কাজে অমনোযোগি হয়ে পড়ি। কেননা আমাদের নিজেদের সে কাজের
প্রতি কোন আগ্রহ থাকেনা।
তাই আমরা ২-৩দিন বা ১-২মাস কাজ করার পড় অন্য কাজের দিকে ধাবিত
হই। আমরা সবাই জানি যে, “পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি”। কিন্তু আমরা সে পরিশ্রম না করে
আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হতে চাই। কিন্তু এই ধারণাটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
পৃথিবীতে যারা উন্নতির চরম সিমায় পদার্পণ করেথে তাদের ফেছনে
রয়েছে কঠোর পরিশ্রমের কেচ্ছা কাহিনি।
তাই উন্নতির চরম সিমায় আরোহণ করতে চাইলে আমাদের উচিৎ যে কোন
একটা কাজে লেগে থাকা।
আরও জানতে ঘুরে আসুন নিচের দেওয়া লিংকে..................
২. ইতিবাচক মনোভাবঃ- ইতিবাচক মনোভাব ব্যবসায়ের সফলতার প্রধান উপয়। ইতিবাচক মনোভাব
ছাড়া কোন ব্যবসায়ের অস্থিত্ব টিকে থাকতে পারে না।তাই কোন ব্যবসা শুরু করার আগে বা ব্যবসা
চলাকালীন সময়ে সে ব্যবসা সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা ব্যবসায়ের সফলতার অন্যতম
উপায়।
৩. ঝুঁকি গ্রহণঃ-
নতুন
পণ্যেরে আগমণে ব্যাসায়ে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাই। কেননা নতুন পণ্য
পাওয়ার ফলে ক্রেতারা পুরাতনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই না।কারণ মানুষ সবসময় নতুনের সন্ধানে
ভলিয়ান।
ব্যবসায়ে ঝুঁকি আসবে সেটা স্বাভাবিক ব্যপার। ঝুঁকি আসার ভয়ে
আমরা যদি হাত গুঠিয়ে বসে থাকি আমাদের ব্যবসায়ের কখনো উন্নতি সাধিত হবে না।তাই ঝিুঁকি
গ্রহণের প্রস্থুতি নিয়ে আমাদের ব্যবসায়ের দিকে এগোতে হবে।
ঝুঁকি গ্রহণ ছাড়া কোন ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তাই
আমাদের ঝুঁকি গ্রহণের জন্য সর্বাবস্থায় প্রস্থুত থাকতে হবে।
তাই নতুন নতুন পণ্যের আমদানি মা্ধ্যমে আমাদের ঝুঁকি গ্রহণের
প্রবণতা কমাতে হবে।
৪. আত্ববিশ্বাসঃ-
আত্ববিশ্বাস
ছাড়া কোন ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন একেবা্রেই সম্ভব নয়। ব্যবসায়ের সূদুরপ্রসারি চিন্তাভাবনা
আমাদের আত্ববিশ্বাসকে জাগ্রত করে।তাই আত্ববিশ্বাস ছাড়া যেমন কোন ব্যবসা টিকে থাকতে
পারে না তেমনি সে ব্যবসা কখনো সুফল বয়ে আনতে পারে না। তাই আত্ববিশ্বাস নিয়ে আমাদের
ব্যবসাকে সমৃদ্ধ করার মানসে আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
৫. ইতিবাচক চিন্তা:- ইতিবাচক চিন্তা ছাড়া ব্যবসায়ের সম্প্রসারণ ও প্রসারণ কখনোই
সম্ভব না। তাই ব্যবসাকে নিয়ে আমাদের সবসময় ইতিবাচক চিন্তা চিন্তা করতে হবে।
Tuesday, November 21, 2017
আমাদের
দেশের কাধে
বেকারত্বের হার
প্রতি বছরই
বাড়ছে।
সরকার পারছে
না তাদেরকে
সুযোগ তৈরী
করে দিতে। আর
আমাদের নিজেদের
মানুষিকতারও পরিবর্তন
ঘটাতে পারছি
না আমরা। ছাত্র
থেকেই শুরু
হোক চেষ্টা
যদি হতে
চান আগামীর
উদ্যোক্তা…..আমরা চাইলে
তথ্যপ্রযুক্তি (কম্পিউটার) শিক্ষার
মাধ্যমে নিজেকে
এগিয়ে নিয়ে
যেতে পারি
সাফল্যের চুড়ায়। "ইন্টার,অনার্স,মাস্টার্স
কতদিনে শেষ
হবে ভাল
একটা জব
করব"।এই চিন্তা
মাথা থেকে
বাদ দিয়ে
লেখাপড়ার পাশাপাশি
তথ্যপ্রযুক্তি সাথে তাল
মিলিয়ে নিজেকে
গড়ে তুলি
কম্পিউটার জগতের
রাজা আর
নিজেই নিজের
কর্মসংস্থান করি। এবং
অন্যের কর্মসংস্থান
সৃষ্টি করি।
লিখক
মোঃ ইলিয়াছ
![]() |
| Orbit Computers-বেকার সমস্যা সমাধানে আমাদের করণীয় কি? |
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত সর্বশেষ ‘শ্রমশক্তি জরিপ ২০১০' (এলএফএস) অনুযায়ী, ২০১০ সালে বাংলাদেশে মোট বেকারের সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ। তিন বছর আগের জরিপে দেশে বেকারের সংখ্যা ছিল ২১ লাখ এবং বেকারত্বের হার ছিল ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে পরিকল্পনা কমিশনের এক প্রতিবেদনে বেকারত্ব সম্পর্কে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা রীতিমতো উদ্বেগজনক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে দুই কোটি ৪৪ লাখ লোক বেকার। এদের মধ্যে ৬৪ শতাংশই সম্পূর্ণ কর্মক্ষম যুবক।
সূত্র--https://goo.gl/PDphBC
২০১২ সালে এক গবেষণায় উল্লেখ করেছে, দেশে প্রতিবছর নতুন করে ২২ লাখ কর্মক্ষম শিক্ষিত মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। কিন্তু কাজ পায় মাত্র সাত লাখ। বাকি ১৫ লাখ থাকে বেকার।
*************************
আরও জানুন----
**************************
গত ১ জুন বাজেট ঘোষণার পর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য উদ্ধৃত করে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা সংসদে বলেন, দেশে এখন বেকারের সংখ্যা মাত্র ২৬ লাখ। বাকিদের কাজের ব্যবস্থা হয়েছে।
গত ২৮ জুন অর্থবিল পাসের আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, দেশে ২৬ লাখ বেকার আছে বলে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এটা সঠিক নয়।
আমাদের দেশে প্রতি বছর শুধু লেখাপড়া শেষ করে ২৪-২৫ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। যারা শ্রম বাজারে প্রবেশ করছে তাদের মধ্যে কেউ চাকরি পাই আবার কেউ পাই না। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কেটি। এদের মধ্যে কর্মক্ষম ব্যাক্তির সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। কাজ পাওয়া লোকের সংখ্যা ৫ কোটি। বাকি ৫ কোটি মানুষ কোন কাজ পাইনি অর্ধাদ তারা বেকার।
প্রযোক্তির সাথে তাল মিলিয়ে কখন অনার্স বা মাস্টার্স পাস করবে তার চিন্তা না করে আমরা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে খাপ খাইয়ে নিতে পারি অচিরেই আমরা উন্নত রাষ্ট্রের নাগরিক হিসিবে বিশ্বের কাছে আমাদের পরিচিতি তুলে ধরতে পারব।
তাই আমাদের উচিৎ ৮ম শ্রেণী পাসের পর আমরা যেন হাতে কলমে কোন একটা কাজ শেখার দিকে মনোনিবেশ করি। এতে করে আমাদের কাজের দক্ষতা যেমন বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে আমরা আমাদের দেশের জন্য সুনাম বয়ে নিয়ে আসতে পারব।
Subscribe to:
Posts (Atom)

