Saturday, October 7, 2017

মাদক একটি সামাজিক সমস্যা/ রাস্ট্রিয় সমস্যা মাদকাসক্তি আমাদের সমাজে এক সর্বনাশা ব্যাধিরূপে পরিণত হয়েছে দুরারোগ্য ব্যাধির মতোই তা আমাদের তরুণ সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। এটি এমন একটি ব্যাধি যার তীব্র ধ্বংশনে নষ্ট হয়ে যায় আগামিদিনের ভবিষ্যৎরা মাদকের ভয়াবহ পরিণতি দেখে আজ অভিভাবকরা আতঙ্কিত, প্রশাসন বিচলিত,  চিকিৎসকরা দিশেহারা এর ছোবলে আজ যোব সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম। নেশার কারণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে লক্ষ লক্ষ তরুণ প্রাণ ধ্বংস হচ্ছে পরিবার সামাজিক শান্তি সৃঙ্কলা আজ রাষ্ট্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাতছানি দেখতে পাচ্ছে না দাবাগিরির মতো এ নেশার ছোবল ছড়িয়ে পড়েছে শুদুর গ্রাম থেকে শহরতলিতে মাদকাসক্তির সমস্যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে তাতে আমাদের দেশও শামিল হয়েছে তাদের মধ্যেএর পরেও এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত হয়ে কাজ করে  কুফল সমাজ গড়ে তুলার জন্য সবাইকে  সচেতনতার হাত সম্প্রসারণ করতে হবে।
Orbit Computer
এবার জেনে নি মাদকদ্রব্য কী :
মাদকদ্রব্য গ্রহণে একটি  মানুষ স্বাভাবিক অবস্থায় না থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় চলে যায় এবং তার ফলে এক সময় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়আর আমরা এক কথায় তাকে বলে থাকি মাতাল। বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত মানবকল্যাণে সৃষ্ট ভেষজদ্রব্য কে আমরা মাদক বলতে পারি না। এই ভেষজদ্রব্যগুলো নির্দিষ্ট মাত্রায় চিকিৎসকরা রোগীর সেবায় ব্যবহার করে থাকেন আর মধ্যপায়িরা তার অপব্যাবহার মাত্রাধিক্যতায় সমাজের অসাধু লোকদের ফলে সেই কল্যাণকর ভেষজদ্রব্যই অকল্যাণকর মাদক হয়ে আমাদের সমাজকে ধ্বংস করে দয়ে। তবে বলতে গেলে বর্তমানে মাদকদ্রব্যের উপাদান সমূহের ব্যবহার চিকিৎসা শাস্ত্রের তুলনায় অপব্যবহারই বেশি হচ্ছে

 মাদকদ্রব্যের প্রকার:
মদ, গাঁজাআফিম, চরস, ভদকা প্রভৃতি নেশাকর দ্রব্য বহু প্রাচীনকাল থেকেই সারা বিশ্বে প্রচলিত হয়ে আসছে। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে  মাদকদ্রব্যেরও যথেষ্ট পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বর্তমানকালে মাদকদ্রব্য হিসেবে হিরোইন, মারিজুয়ানা, প্যাথেড্রিন , মরফিন, পপি, , ক্যানবিস, স্মাক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়াও ইয়াবা নামক মাদকের সর্বনাশা ছোবল বর্তমান যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

মাদকাসক্তির কারণ :
যারা নেশা করে তাদের অধিকাংশই জানে যে, নেশা ভালো কাজ করে না। মাদকের নেশা জীবন নষ্ট করে জেনেও তারা নেশার মধ্যে  থাকতে সাচ্ছন্ধবোধ করে।আপনি কি জানেন আমাদের  যুবসমাজ নেশায় মেতে উঠার কারণ কি ?  আসুন এ বিষয়ে আমরা কিছু আলোকপাত করি-----

*** বন্ধুদের প্ররোচনা : কথা খুবই সত্য যে বন্ধুদের প্ররোচনায় পড়ে অনেকে মাদকাশক্ত হয়ে পড়ে। যাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে তাদের মধ্যে যদি মাদকের নেশা চালু থাকে তবে তাদের আসক্তিতে আসক্ত হবে তার ঘনিষ্ট বন্ধু। সেই কাজে অঙ্গ নিতে মাদকাসক্তরা বাধ্য করে তার বন্ধুকে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ যুবসমাজ এভাবে নেশাগ্রস্ত বা মাদকাসক্ত হয় হয়ে পড়ে।


*** কৌতুহল : যৌবন কৈশরে এমন একটা সময় আসে যখন অজানাকে জানার বেড়ে যায়। কৌতুহলের বশে কেউ কেউ মাদকের জালে আটকা পড়ে তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না বা আসতে চাইলেও তার পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

*** অতি দ্রুত আনন্দ লাভের বাসনা : অতি মাত্রায় আনন্দ লাভের বাসনাকে কেন্দ্র করে মানুষ মাদকের প্রতি আসক্ত হয়। এতে করে তার জীবন ধ্বংস লীলায় মেতে উঠে। যা কঠিন ছোবল থেকে সে আর বেরিয়ে আসতে পারে না।


***  বিদ্রোহী মনোভাব :  যৌবনের সন্ধিক্ষণে ছেলে-মেয়েরা বিদ্রোহী মনোভাব ব্যাক্ত করে।প্রেমের জালে আটকা পড়ে প্রেমের ব্যার্থতার পর‌্যবসিত হয়ে মাদকাসক্তির দিকে ঝুকে পড়ে।

*** নিজেদের পরিবেশ : অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের পরিবেশ ঠিক না থাকার কারণে ছেলে মেয়েরা মধ্যপায়ি হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পিতা মাতাদের কু অভ্যাসের কারণে সন্তানেরা মাদকাশক্তির দিকে ঝুকে পড়ে।


*** ধর্মিয় অনুভুতি না থাকা: পিতা মাতাদের ধর্মিয় বিধি নিষেধের অভাবের কারণে, ছেলে মেয়েরা ধর্মিয় বিধি বিধান অবজ্ঞা করে মাদকাসক্তির প্রতি ঝুকে পড়ে।

মাদক কখনো আমাদের সমাজের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে না।
তাই জাতি দল নির্বিশেষে সকলকে মাদক বিরুধি আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

আমাদের পরিবার থেকে শুরু করতে হবে মাদক বিরুধি অভিযান। পিতা মাতাকে অবশ্যই সজাক হতে হবে যে, তার ছেলে কোথায় যাচ্ছে, কি করছে, কার সাথে মিছচে তার প্রতি।
পরিবারের একে অপরের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখতে হবে।


আমরা যোবসমাজ যদি মাদক বিরোধি আন্দোলন গড়ে তোলতে পারি আমাদের দেশ তথা গোটা জাতিকে আমরা মাদকমুক্ত করতে পারব।

Friday, October 6, 2017



হতাশা কি?
মানুষের ব্যাক্তিগত জীবনে হতাশা নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। হতাশা কি তা আমরা প্রত্যেকে জানি। নতুন করে একটা ওয়ার্ড ও আমরা সেখানে যুক্ত করতে পারি না। আমরা জানি একটা মুনুষ বিভিন্ন কারণে হতাশিত হয়। তবুয় অর্থবুধকভাবে বলতে গেলে-বিচ্ছেদ,ব্যার্থতা ক্লান্তহীনতা এই কয়েকটি কারণে মানুষের জীবনে হতাশা নেমে আসে। আবার অনেকে কোন একটা কঠিন কাজ করেতে না পারলে হতাশ হয়ে পড়ে। আশলে কিছু কিছু মানুষের জীবনটাই এমন যে, সে একবারেই সকল বিষয়ে সফল হতে চাই। ফলে তার জীবনে নেমে আসে নানা ধরণের অসান্তি ও ব্যার্থতা।
হতাশা কি?
কবিদের ভাষায় বলতে গেলে---ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল,
                    গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল
                    মুহূর্ত নিমেষ কাল, তুচ্ছ পরিমাণ,
                    গড়ে যুগ-যুগান্তর অনন্ত মহান
                    প্রত্যেক সামান্য ত্রুটি ুদ্র অপরাধ
                    ক্রমে টানে পাপ পথে, ঘটায় প্রমাদ
                    প্রতি করুণার দান, স্নেহপূর্ণ বাণী
                    এ ধরায় স্বর্গসুখ নিত্য দেয় আনি
                        Source--https://goo.gl/Yat9Vz
কবিতার মর্মার্থ থেকে আমরা যা বুঝতে পারি তা হল এক লাফে গাছে উঠা নয়। কিন্তু আমরা এই মর্মার্থ না মেনে এক লাফে গাছে উঠতে চাই। আসলে এই কথাটি অভ্যাসগত সথ্য।
আমি আমার জীবণের কথাই বলি-----
২০১৬ সালের ১ম দিকে আমি ইন্টানেটে আয় করা নিয়ে একটা বিজ্ঞাপন পাই। বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল যে, বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল যে, ইন্টারনেট থেকে আপনি যদি টাকা ইনকাম করতে চান তা হলে আমাদের এই কোর্চটি করার মাধ্যমে আপনি ২-৩ মাসের মধ্যে ঘরে বসে ২০,০০০টাকা -৩০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তাদের কথা শুনে আমিও প্রথমে চমকে যায়। চমকে গেলেও কি হবে আমি তাদের কথামতো কোর্চ করা শুরু করি।
একবার না পারলে দেখ শতবার কথাটি ভেবে বর্তমানেও কোণ ইনকামের মুখ দেখতে পারিনি।
আমি মনে করি এটি আমার ব্যার্থতা নয়…

সফলতা অর্জন করতে চাইলে আমাদেরকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে আর নয়তো আমাদের কোনদিন সফলতা আসবেনা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের তথ্যে দেখা যায় যে পৃথিবীতে প্রায়  ১২৫  মিলিয়ন লোক হতাশাগ্রস্থ। শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এদের সংখ্যা প্রায় ২০ মিলিয়ন। তাছাড়া অনেক শিশু গর্ভবতীরাও হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। প্রাদুর্ভাব ব্যাপকতার বিচারে হতাশাকে পাশ্চাত্য সভ্যতার common cold বলে আক্ষায়িত করা হয়েছে। সম্পর্কের কারণে মানুষ হতাশিত হয়ে যায়। মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক, এমনকি সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না হলে একটা পর্যায়ে গিয়ে হতাশায় ডুবে যান অনেকে।
হতাশার লক্ষণ:
মন ভাল না থাকাটাই প্রধান হতাশার লক্ষণ, কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, ক্ষুদা ও ঘুম না হওয়া, ওজনের তারতম্য সৃষ্টি হওয়া প্রধান হতাশার লক্ষণ। এতে করে একটি মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
আমাদের জীবনের পরিবর্তনগুলোকে মেনে নিতে চেষ্টা করুন। শিশুদের হতাশা কাটাতে মা-বাবাকেই প্রধান ভুমিকা পালন করতে হবে। যেকোনো বিষয়ে তাদের অতিরিক্ত চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বয়ঃসন্ধিকালে সংকোচ না করে তাকে সঠিক তথ্যগুলো দিতে হবে। মনে হয়, কাজ করতে গিয়ে আপনি বেশি হতাশ হয়ে পড়ছেন, তাহলে ছুটি নিয়ে কোথাও থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

কী কারণে আপনি হতাশিত, তা খুঁজে বের করুণ। অতি ধ্রুত সমস্যাটি সমাধান করতে চেষ্টা করুন।


*** সামাজিক সম্পর্কগুলো জোরদার হলে হতাশা কাটিয়ে ওঠা সহজ হয়।
*** পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান হতাশা দূরিভুত হবে। বই পড়ার অভ্যাস করুণ।
*** নিজের সুন্দর ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবতে শুরু করুণ দেখবেন হতাশ লাগবে না

Tuesday, October 3, 2017

সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে হতাশামুক্ত থাকাটা আমাদের জন্য খুবই জরুরী কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে আমরা অনেকেই জানিনা কিভাবে নিজেদের হতাশাগুলো দূরে রেখে জীবনকে আরও একটু আনন্দের সাথে অতিবাহিত করবো আবার অনেকেই তাদের হতাশা কাটিয়ে উঠার উপায় খুঁজে খুঁজে বেড়ায়। আসুন এবার জেনে নি কিভাবে আমরা হতাশামুক্ত জীবন গড়ে তুলতে পারি…………….
Orbit4all-হতাশা থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারি?

ব্যায়াম করুনঃ

আপনার শরীর মন ফুরফুরে রাখতে ব্যায়ামের বিকল্প আর কিছু হয়না। আর শরীর মন দুটোই যখন ফিট থাকে তখন হতাশা আপনাআপনি আপনার থেকে দূরে সরে যাবে। তাই হতাশা মুক্ত থাকে ব্যায়ামের অভ্যাস করতে হবে।

আনন্দ করুনঃ

জীবন একটাই আর আমরা পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করি একবারই। তাই গোমড়া মুখো হয়ে না থেকে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করতে শিখি। হতাশামুক্ত থাকার জন্য  আনন্দ করার কোন বিকল্প হয় না

সব কিছু ব্যক্তিগতভাবে মেনে নেওয়া ঠিক নয়ঃ

জীবনে চলার পথে আমাদের চারপাশে নানা ধরণের মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ বসবাস করে। আর তাই যেকোন বিষয়ে মতভেদ ভিন্ন হবে, সে কারণেই সবার সব কথা ব্যক্তিগতভাবে মেনে নেওয়া ঠিক নয়। এতে হতাশা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে

অন্যদের মতামত মূল্যায়ন করুনঃ

সব সময় নিজের মতামতকে পরিসমেইপ্ত না ভেবে অন্যদের মতামতকে মূল্যায়ন করতে হবে। দেখবেন জীবন যাপন অনেক সহজ হয়ে যাবে আর সাথে আপনিও নিজে হতাশা মুক্ত থাকতে পারবেন

নিজেকে আনন্দিত রাখুনঃ

আপনি যতোটা পারেন নিজেকে আপনার পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করুণ। আশেপাশের পরিবেশ, রং, সৌন্দর্য, বৈচিত্র সব কিছুর সাথে নিজেকে মিলেমিশে একাকার করে দিন। তবেই না হতাশা মুক্ত থাকতে পারবেন

যুক্ত থাকুন সবার সাথেঃ

আপনা আপনি নিজেকে ভুলেও কখনো অন্যের থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবেন না। আপনি যতো নিজেকে আর সবার থেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন হতাশা তত বেশী আপনাকে গ্রাস করবে। সবার সাথে সংযুক্ত থাকুন, হতাশাকেনাবলুন

যখনই হতাশাবোধ করবেন একটু আলাদা সময় করে নিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করুণ। নিজেকে বুঝুন নিজেকে নিয়ে ভাবুন

Today Pageviews

Follow me

Clock

আই পি থেকে লোকেশন

ip address

Popular Posts

Join Us

Blog Archive